তোমরা কি করে পারো ? শাদা কাগজে ভালোবাসা শব্দটি নির্দ্বিধায় লিখে দিতে । আমার হাত কাপে,বুক কাপে, পায়ের নিচে মাটি কাপে শাদা কাগজের বুকে দেখি গভীর তলদেশ,গভীর সুমুদ্র সাতারবিহীন শব্দটির ডুবতে থাকা দেহ । শাদা কাগজে ভালোবাস শব্দটি লিখতে গেলে আমি তাকে ডুবুরির পোশাক পরাতে ভুলে যায় ডুবতে থাকা আমার ভালোবাসা এবং কবিতা তখন ভালোবাসা শব্দটিতে কবিতার দায়বদ্ধতা খোজে শাদা কাগজকে বার বার মনে হয় একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ,আবার কখোনো চোরাবালি তলিয়ে যাবে । তোমাকে না বলা আমার ক্থার সংগোপন কবিতার আদি অন্ত দমিত উচ্ছাস কেনো ভালবাসা শব্দটিতে আজীবন আটকে থাকে ? ভালোবাসা এবং শাদা পৃষ্ঠা আমার শান্তির উতস নয়,যন্ত্রনার অতল যার কাছে আমি এবং আমার কবিতা নিয়ত তলিয়ে যায়,ভীত হয় নিশাসে সুমুদ্র হয় শাদার শুন্যতায় আর ভালোবাসা শব্দটি লেখার অসীম অপারগতায় । ( shaila sharmin misti)
২৪ এপ্রিল ২০২০ রাত ১২.৩০ প্লান অনুযায়ী আমার কিছুই হয়না। প্লান করি।এক,আর হয় আরেক। যাহোক কাল প্লান ছিল আজ সকাল ৭/৮ টার মোধ্যে ঘুম থেকে উঠবো। হলোনা। ঘুম থেকে ঊঠেছি সকাল ১০ টায়। হজরত এর ফোন পেয়ে। হযরত আমার বন্ধু। হাসিমপুর আমাদের জমির পাশে ওদের বাড়ি। আমার দাদা এত তার পোস্য পুত্র রশিদের কথা অনুযায়ী রশিদ কাকার বাড়ির পাশে জমি কিনেছিল। পুকুর সহ জমি। ৭ বিঘা মত হবে। জমি টা লিজ দিয়েছি আর পুকুর টা কড রেখেছি ৮০ হাজার টাকায়। আম্মুর চিকিৎসার জন্য মুলত নিয়েছিলাম। কিছু টাকা ধার দেনা শোধ করে বাকি ৫০ হাজার আম্মুর চিকিৎসায় দিয়েছিলাম। আম্মুর ৬ মাস কেমো শেষ। এখন মুখে ঔষধ চলছে। বাবার রেখে যাওয়া জমি থেকে ১ লাখ টাকা পেয়েছিল আম্মু।এই টাকা দিয়ে শেষে এসে কেমো শেষ করলো। যাহোক, আম্মুকে নিয়ে অন্য একদিন বলবো। ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে পুকুরে চলে গেলাম। কেজি ৪ ছোট বাটা আর কিছু তেলাপিয়া মাছ,সাথে রেজাউল ভাই কলা আর কলার মুচা দিয়ে দিল। চলে এলাম বাড়ি। প্রতিদিনের মত আজও সারাদিন কেটে গেলো। তবে আজ শরির টা ভাল লাগছে না। গলা ব্যাথা সকাল থেকে। এখনো কমেনি। সাথে হালকা কাশিও আছে। কি আছে কপালে আল্লাহ জানে। নিজেকে আলাদা করবো কিনা বু...
২৫ এপ্রিল রাত ৩.২৬ কাল রমজান মাসের প্রথম রোজা ছিল। ইচ্ছা ছিল প্রথম রোজা করবো। হলোনা । গলার ব্যাথা টা বেড়েছে। হালকা কাশি ও আছে সাথে। আজ সারাদিন একা একা আছি। সারাদিন মেয়েটাকে কোলেও নিতে পারিনি। নিজেকে কোরায়ান্টাইন করে রাখছি। বলাতো যাইনা। কি হচ্ছে শরিরে। সকালে ঘুম থেকে উঠে বাজারে গিয়েছিলাম ঔষধ কিনতে। বাজার থেকে এসে ঘরে। আর বের হয়নি। সুহি ঘরে খাবার দিয়ে যাচ্ছে। একা একা খাচ্ছি। আমাদের একসাথে খাওয়ার অভ্যাস। একা একা খেতে খুব খারাপ লাগছে। সুহির মন টা ভাল না। চুপচাপ আছে দুদিন হলো। খুব কম কথা বলছে। কি যে হয়ছে বুঝতেছিনা। অনেক বার জিজ্ঞেস করেছি। বলেনা। ওর মন খারাপ সাধারণত বেশি সময় থাকেনা। এবার দেখছি সময় নিচ্ছে । হয়তো আমার জন্য টেনশন করছে। টেনশন হওয়াটা সাভাবিক। আমার জন্য না জানি বাড়ির সবার কিছু হয়ে যায়। মেয়েটার জন্য বেশি টেনশন। যাহোক ঔষধ খাচ্ছি। প্রেমাংশু আজ বলেই ফেললো,, টেষ্ট করাতে চাই নাকি। আমি বললাম আর একটা দিন দেখি। ওদিকে আম্মু কান্নাকাটি করছে। একা একা দুরে থাকে। টেনশন করছে। এমনিতেই তার টেনশন করতে করতেই জীবনটা শেষ হয়ে গেলো। সামী ছেলে মেয়ে কেউ তাকে সুখি করতে পারলোনা। জানি আল্লাহ মাফ করবেনা আমাকে...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন